অবসরের আগে ঘরের মাঠে বিশ্বকাপ খেলাকে ‘আশীর্বাদ’ মনে করছেন সিকান্দার রাজা
← তালিকায় ফিরুন
হালনাগাদ

অবসরের আগে ঘরের মাঠে বিশ্বকাপ খেলাকে ‘আশীর্বাদ’ মনে করছেন সিকান্দার রাজা

আন্তর্জাতিক ক্রিকেট থেকে অবসরের আগে নিজ দেশের মাটিতে বিশ্বকাপ খেলার সুযোগকে আশীর্বাদ মনে করছেন জিম্বাবুয়ের ৪০ বছর বয়সী অলরাউন্ডার সিকান্দার রাজা। ঘরের মাঠ হলেও আইসিসি ইভেন্ট হওয়ায় বাড়তি কন্ডিশন সুবিধা পাওয়ার সীমাবদ্ধতার কথাও উল্লেখ করেছেন তিনি।
এই পাতায়

মূল বিষয়গুলো

  • ›ক্যারিয়ারের শেষ লগ্নে দেশের মাটিতে বিশ্বকাপ খেলাকে বড় আশীর্বাদ হিসেবে দেখছেন সিকান্দার রাজা।
  • ›আইসিসির নিয়ন্ত্রণ থাকায় ঘরের মাঠে পুরোপুরি কন্ডিশনের সুবিধা নেওয়া কঠিন হবে বলে মন্তব্য করেছেন তিনি।
  • ›গ্রুপ পর্বে ভারত, পাকিস্তান, অস্ট্রেলিয়া ও আফগানিস্তানের বিপক্ষে মাঠে নামবে জিম্বাবুয়ে।
  • ›বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপে জিম্বাবুয়ের সম্ভাব্য অন্তর্ভুক্তি দেশের ক্রিকেটের দ্রুত উন্নতি ঘটাবে বলে রাজার বিশ্বাস।

দীর্ঘ আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারের শেষ প্রান্তে এসে দাঁড়িয়েছেন জিম্বাবুয়ের অভিজ্ঞ অলরাউন্ডার সিকান্দার রাজা। ৪০ বছর বয়সে পৌঁছে ক্যারিয়ারের ইতি টানার আগে ঘরের মাঠে বিশ্বকাপ খেলার সুযোগ পাওয়াকে নিজের জন্য বিশেষ এক প্রাপ্তি ও ‘আশীর্বাদ’ হিসেবে দেখছেন তিনি। সম্প্রতি একটি মোবাইল গেমের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে অংশ নিয়ে তিনি নিজের এই অনুভূতির কথা জানান।

ক্যারিয়ারের গোধূলিলগ্নে বড় মঞ্চের প্রত্যাশা

আন্তর্জাতিক ক্রিকেট থেকে অবসরের আগে প্রতিটি ক্রিকেটারেরই ইচ্ছা থাকে বৈশ্বিক কোনো আসরে অংশ নিয়ে বিদায় নেওয়ার। রাজার মতে, ক্যারিয়ারের শেষ ভাগে নিজ দেশের দর্শকদের সামনে বিশ্বকাপে মাঠে নামতে পারা পরম আনন্দের। তিনি উল্লেখ করেন, খেলোয়াড়ি জীবনের এই পর্যায়ে ঘরের মাঠে এমন সুযোগ পাওয়া ব্যক্তিগতভাবে তাঁর জন্য দারুণ এক অভিজ্ঞতা।

একই সঙ্গে আফ্রিকান ক্রিকেটের সৌন্দর্য, স্থানীয় দর্শকদের উদ্দীপনা এবং জিম্বাবুয়ের পরিবেশ বিশ্বমঞ্চে তুলে ধরার বড় উপলক্ষ হতে যাচ্ছে এই টুর্নামেন্ট। আয়োজক হিসেবে বিশ্ববাসীকে একটি স্মরণীয় অভিজ্ঞতা উপহার দেওয়ার ব্যাপারে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

হোম অ্যাডভান্টেজ নিয়ে বাস্তবতা

গ্রুপ পর্বে জিম্বাবুয়েকে লড়তে হবে ভারত, পাকিস্তান, অস্ট্রেলিয়া ও আফগানিস্তানের মতো শক্তিশালী দলগুলোর বিপক্ষে। নিজেদের ম্যাচগুলো তারা খেলবে হারারে, বুলাওয়ে এবং ভিক্টোরিয়া ফলসের নতুন স্টেডিয়ামে। তবে ঘরের মাঠে খেলা হলেও খুব বেশি কন্ডিশনের সুবিধা পাওয়ার সুযোগ নেই বলে মনে করেন এই অলরাউন্ডার।

যেহেতু এটি আইসিসির ইভেন্ট, তাই পিচ ও সার্বিক মাঠের নিয়ন্ত্রণ থাকে তাদের কিউরেটরদের হাতে। ফলে পুরোপুরি নিজেদের মনমতো কন্ডিশন তৈরি করা সম্ভব নয়। নিয়মের মধ্যে থেকে যতটুকু সম্ভব সুবিধা নেওয়ার চেষ্টা করবে জিম্বাবুয়ে।

  1. গ্রুপ পর্বের জন্য ঘরের মাঠের পরিচিত পরিবেশ বিশ্লেষণ করা।
  2. আইসিসি নিয়ন্ত্রিত পিচের আচরণ দ্রুত বুঝে নিয়ে দলের কৌশল সাজানো।
  3. ভারত, পাকিস্তান ও অস্ট্রেলিয়ার মতো পরাশক্তিদের বিপক্ষে ভারসাম্যপূর্ণ একাদশ নির্বাচন।
  4. ভিক্টোরিয়া ফলসের মতো নতুন ভেন্যুর কন্ডিশনের সঙ্গে দ্রুত মানিয়ে নেওয়া।
  5. ঘরের দর্শকদের সমর্থনকে ইতিবাচক শক্তিতে রূপান্তর করে মাঠে সেরা পারফরম্যান্স দেওয়া।

নতুন ভেন্যু ও টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের হাতছানি

ভিক্টোরিয়া ফলসের নতুন ভেন্যুতে ভারত ও জিম্বাবুয়ের মধ্যকার ম্যাচ দিয়ে ক্রিকেটীয় কার্যক্রম শুরু হতে যাচ্ছে। রাজার মতে, এই ভেন্যুটি কেবল খেলার মাঠ হিসেবে নয়, প্রাকৃতিক সৌন্দর্য ও আতিথেয়তার কারণেও দর্শনার্থীদের মুগ্ধ করবে।

এদিকে বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপে জিম্বাবুয়ে, আফগানিস্তান ও আয়ারল্যান্ডের অন্তর্ভুক্তির বিষয়ে সিদ্ধান্ত হতে পারে নভেম্বরে। রাজা জানান, তিনি টেস্ট ক্রিকেট খেলেই নিজের উন্নতি করেছেন। যদি জিম্বাবুয়ে এই চ্যাম্পিয়নশিপের অংশ হতে পারে, তবে তা দেশটির সামগ্রিক ক্রিকেটের বিকাশকে বহুলাংশে ত্বরান্বিত করবে।

সূত্রdhakapost.com

সাধারণ প্রশ্ন

বিশ্বকাপের গ্রুপ পর্বে জিম্বাবুয়ের প্রতিপক্ষ কারা?

গ্রুপ পর্বে জিম্বাবুয়ের প্রতিপক্ষ হিসেবে রয়েছে ভারত, পাকিস্তান, অস্ট্রেলিয়া ও আফগানিস্তান।

জিম্বাবুয়ের ম্যাচগুলো কোন কোন ভেন্যুতে অনুষ্ঠিত হবে?

জিম্বাবুয়ের ম্যাচগুলো অনুষ্ঠিত হবে হারারে, বুলাওয়ে এবং ভিক্টোরিয়া ফলসের নতুন ভেন্যুতে।

ঘরের মাঠে খেলার শতভাগ সুবিধা পাওয়া নিয়ে রাজার পর্যবেক্ষণ কী?

আইসিসি ইভেন্টে পিচ ও মাঠের নিয়ন্ত্রণ আইসিসির কিউরেটরদের হাতে থাকায় স্বাগতিক দল হিসেবে পুরোপুরি হোম অ্যাডভান্টেজ পাওয়া কঠিন বলে মনে করেন রাজা।

সর্বশেষ নিবন্ধ